রাষ্ট্রায়ত্ত গ্যাস বিতরণ কোম্পানি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসির গত সপ্তাহে শেয়ারদর বেড়েছে ১১ দশমিক ১১ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির সমাপনী দর দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকায়, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১৭ টাকা ১০ পয়সা। এতে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দরবৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে।
অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) তিতাস গ্যাসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৯ টাকা ৫৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৬৭ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৩৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ১৪ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮৮ টাকা ৭ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে তিতাস গ্যাসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ৫২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৬৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯৮ টাকা ১৫ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে তিতাস গ্যাসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৬৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩ টাকা ২১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৭১ টাকা ৭৫ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল তিতাস গ্যাস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৫০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৭৪ টাকা ১৬ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২০-২০২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় তিতাস গ্যাস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৫০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৬৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৭২ টাকা ৫৭ পয়সায়।
২০০৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিতাস গ্যাসের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯৮৯ কোটি ২২ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮ হাজার ৩৬৮ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
মোট শেয়ার সংখ্যা ৯৮ কোটি ৯২ লাখ ২১ হাজার ৮৩১। এর মধ্যে ৭৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সরকারের হাতে। বাকি শেয়ারের মধ্যে ১৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক, দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ বিদেশী ও ১০ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।